দেশের পুঁজিবাজারে দুদিন ধরে সূচকে নিম্নমুখিতা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে গতকাল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১৫ দশমিক ২৬ শতাংশ কমেছে। এক্সচেঞ্জটির সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স এদিন দশমিক ১০ শতাংশ কমেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেনের চলতে থাকে। দিন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৪ দশমিক ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ৮ দশমিক ৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস সামান্য বেড়ে ১ হাজার ১০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বেক্সিমকো ফার্মা, ন্যাশনাল ব্যাংক, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ও গ্রামীণফোনের শেয়ার।
ডিএসইতে গতকাল ৫৬৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ছিল ৬৬৬ কোটি টাকা। এদিন লেনদেন হওয়া ৩৯৫টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ১৫৬টির, কমেছে ১৬৩টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৭৬টির বাজারদর।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্যাংক খাত।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৮ শতাংশ দখলে নিয়েছে বস্ত্র খাত। ১১ দশমিক ৬ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় অবসন্থানে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। চতুর্থ অবস্থানে থাকা খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ১১ দশমিক ৩ শতাংশ।
গতকাল ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৩ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে পাট এবং কাগজ ও মুদ্রণ খাতে। এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ১ দশমিক ২ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল। অন্যদিকে সাধারণ বীমা খাতে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৭ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এছাড়া সিরামিক ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ১ দশমিক ৪ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন ছিল।